শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

জেনেভা ক্যাম্পে বাবাকে গ্রেপ্তারের সময় শিশুকে চড়, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে গ্রেপ্তার অভিযানের সময় এক শিশুকে চড় মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় তার সাত-আট বছরের মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে জড়িয়ে ধরেছে। একপর্যায়ে উপস্থিত কেউ শিশুটির গালে চড় মারলে মেয়েটির কান্না আরও বেড়ে যায়। এরপর শিশুটিকে বাবার কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুকে অনেকে শিশুটিকে চড় মারার জন্য পুলিশের সমালোচনা করছেন। কেউ লিখেছেন, ‘বাচ্চার সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ অপর একজন মন্তব্য করেছেন, ‘যে চড়টা মেরেছে, নিশ্চয় সে কোনো সন্তানের বাবা না।’

অন্যদিকে কিছু আওয়ামী লীগপন্থী ফেসবুক ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি আওয়ামী লীগ কর্মী এবং চড়টি দিয়েছে পুলিশ।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে জেনেভা ক্যাম্পে মাদক ব্যবসায়ী দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. জাহিদ নামে এক তরুণ নিহত হন। এ ঘটনায় রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। জাহিদ হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় রুস্তম নামে এক ব্যক্তিকে। যার মেয়েকে নিয়ে ঘটনাটি ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তেজগাঁও বিভাগের সহকারী উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। গ্রেপ্তারের সময় শিশুটি বাবার কাছে চলে আসে, তখন কেউ একজন তাকে চড় মারে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।’

গতকাল শুক্রবার রুস্তমসহ চারজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং রিমান্ড শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।


এ জাতীয় আরো খবর...