শিরোনামঃ
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমারি স্কুলে ১৬ বছরের কিশোরের গুলি, তিন শিশুসহ নিহত পাঁচ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশিদের ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ ‘গরু জবাই’ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে শামীমের বিরুদ্ধে করা ‘মবে’ স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পরিবারের ‘যৌনাঙ্গে বুট দিয়ে মেরেছে’, ‘জামা টেনে তুলে দিয়েছে’ – দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের অভিজ্ঞতা ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার থাকতে পারে, ইঙ্গিত ইলন মাস্কের পর্তুগাল থেকে যৌতুক পাওয়া ‘বোম্বে’ দশ পাউন্ড ভাড়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজা বাংলাদেশে ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন? মৃত শাবক নিয়ে ঘুরছিল মাদি হাতি, প্রাণীদের শোকের বিরল আচরণ
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন

নাইকোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়: দিতে হবে ৫১৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণ: আন্তর্জাতিক আদালতের রায় বাংলাদেশের পক্ষে

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালটিতে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন ও রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হিসাবে বিস্ফোরণের ফলে পরিবেশগত ক্ষতি ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদনও করা হয়েছিল।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান গণমাধ্যমকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নে ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির সঙ্গে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর চুক্তি হয়। পরবর্তীতে কূপ খনন শুরু হলে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি গ্যাসক্ষেত্রটিতে মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এরপর একই বছরের ২৪ জুন দ্বিতীয় দফায় গ্যাসক্ষেত্রটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এর ফলে গ্যাসক্ষেত্র ও এর আশপাশের এলাকায় পরিবেশ ও জনজীবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

এ ঘটনায় পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও বিদেশি কোম্পানিটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ক্ষতিপূরণ আদায়ে নাইকোর বিরুদ্ধে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা করে পেট্রোবাংলা।


এ জাতীয় আরো খবর...