শিরোনামঃ
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমারি স্কুলে ১৬ বছরের কিশোরের গুলি, তিন শিশুসহ নিহত পাঁচ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশিদের ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ ‘গরু জবাই’ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে শামীমের বিরুদ্ধে করা ‘মবে’ স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পরিবারের ‘যৌনাঙ্গে বুট দিয়ে মেরেছে’, ‘জামা টেনে তুলে দিয়েছে’ – দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের অভিজ্ঞতা ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার থাকতে পারে, ইঙ্গিত ইলন মাস্কের পর্তুগাল থেকে যৌতুক পাওয়া ‘বোম্বে’ দশ পাউন্ড ভাড়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজা বাংলাদেশে ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন? মৃত শাবক নিয়ে ঘুরছিল মাদি হাতি, প্রাণীদের শোকের বিরল আচরণ
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন

ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম আজাদ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

গেল বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেয়ার কারণে সে সব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেয়নি ট্রাইব্যুনাল। অপর একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, নয়জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত এ রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে পলাতক থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে ভারত হয়ে তিনি পাকিস্তানে চলে যান বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ করার মাধ্যমে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর এ মামলার রায় অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ শুরু হয় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা।


এ জাতীয় আরো খবর...