শিরোনামঃ
বয়সের ফারাক অনেক, এমন দম্পতিদের ভালোবাসা নিয়ে বোঝাপড়া কতটা? আজও উত্তমকুমার সর্বত্র আছেন: সৃজিত মুখার্জি ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় ছেয়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়া ও ফিলিপিন্সের আকাশ বোয়িং থেকে নতুন করে বিমান কেনা লাভের নাকি চাপের? সামনে দুই মাস ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কী পূর্বাভাস দিচ্ছেন গবেষকরা বিদেশে শ্রমিক হিসেবে গেলে কোন কোন প্রশিক্ষণ কাজে লাগতে পারে লেইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়া, বলছে জার্মানি গান্ধী পরিবার নিয়ে এই প্রশ্নগুলির উত্তর কি থাকবে সোনিয়া গান্ধীর লেখা বইতে? নতুন পে-স্কেল কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, প্রভাব কেমন হবে কুয়াকাটায় জালে উঠে আসা ‘স্লেন্ডার সানফিশ’ কী ধরনের মাছ?
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত সম্পূর্ণভাবে পৃথক করল সরকার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
বাংলাদেশ সচিবালয়-ফাইল ছবি

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়, বিচারকদের ওপর দ্বৈত দায়িত্বের চাপ কমিয়ে বিচারিক কার্যক্রমে গতি আনার লক্ষ্যে পৃথকভাবে নতুন আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে মামলা নিষ্পত্তির হার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।

এখন পর্যন্ত জেলা আদালতগুলোতে যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজরা একইসঙ্গে দেওয়ানি ও ফৌজদারি (দায়রা) মামলার বিচার করে আসছিলেন। দ্বৈত দায়িত্ব পালন করায় মামলাজট বাড়ছিল এবং বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছিল।

বর্তমানে দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে প্রায় ১৬ লাখ দেওয়ানি এবং ২৩ লাখ ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সংখ্যার দিক থেকে ফৌজদারি মামলা বেশি হলেও বিচারকদের উভয় ধরনের মামলা পরিচালনা করতে হচ্ছিল। ফলে মামলা নিষ্পত্তির গতি হ্রাস পাচ্ছিল।

এই প্রেক্ষাপটে পৃথকভাবে ২০৩টি অতিরিক্ত দায়রা আদালত এবং ৩৬৭টি যুগ্ম দায়রা আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব আদালতে বিচারকরা কেবল ফৌজদারি মামলার বিচার করবেন। অন্যদিকে দেওয়ানি আদালতগুলো শুধু দেওয়ানি মামলার কার্যক্রমে মনোনিবেশ করবেন।


এ জাতীয় আরো খবর...