এরপর তিনি বলেন, ‘আমি আমার পক্ষ থেকে এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকমের আয়োজন করেছেন। বিশেষ করে আমার নিরাপত্তার জন্য। থ্যাংক ইউ সো মাচ। নিশ্চয়ই… নিশ্চয়ই। শেষে সালাম দিয়ে ফোন রাখেন তারেক রহমান।’
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের সমাপ্তি টেনেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরেছেন তিনি। তার এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে প্রতীক্ষার পালা শেষ হয়েছে বিএনপির কোটি কোটি নেতাকর্মী ও ভক্ত-সমর্থকের। তার এ প্রত্যাবর্তন নেতাকর্মীদের প্রতীক্ষার অবসানই শুধু নয়, বিএনপির রাজনীতির নতুন পথেরও সূচনা। আগামীর সংকল্পেরও বার্তা।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী-কন্যাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করে।
সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বিমানটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে যাত্রাবিরতির পর তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এসময় তিনি নেতাদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশলবিনিময় করেন এবং উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।