শিরোনামঃ
মাগুরার আট বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের পত্রিকা: ‘বাজেট ও মূল্যস্ফীতির সমতা রক্ষায় পে-স্কেল’ বাজারে মানহীন বা নিম্নমানের পণ্য কীভাবে বুঝবেন? আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল, কী জানা যাচ্ছে? পত্রিকা: ‘সালাহউদ্দিন আহমদ গুমের ঘটনা – আসামি বাড়তে পারে তদন্তে ‘মিসিং লিংক’ খুঁজছে ট্রাইব্যুনাল’ গুম প্রতিরোধে বাংলাদেশে কী পরিবর্তন এসেছে? নেপালের বন্যায় সেই বাড়িটির বারান্দায় আটকে পড়াদের শেষ পর্যন্ত কী হলো? সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ঢাকায় কবি নজরুলকে সমাহিত করা হয়েছিল পরিবার ও ভারত সরকারকে না জানিয়েই?
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

নদী ভাঙ্গন থেকে ভিটিবাড়ি রক্ষায় রাজপথে সোনাগাজীবাসী

ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬

নদী ভাঙ্গন থেকে নিজের মাথাগোঁজার ঠাই ভিটিবাড়ি রক্ষায় এবার রাজপথে নেমেছেন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার কয়েকশ মানুষ। ১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে নদী ভাঙ্গনে নি:স্ব কয়েকশ নারী পুরুষ। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি চলা কর্মসূচিতে সাড়ে তিনশ পরিবারের একজন করে সদস্য প্রতিনিধি অংশ নেন। পরে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে নি:স্ব হওয়া পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২৪ সালের আগষ্টে ফেনীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ছোট ফেনী নদীর উপর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর এলাকায় নির্মিত মুছাপুর রেগুলেটর ভেঙ্গে যায়। তার কয়েক বছর আগে ভেঙ্গে যায় সোাগাজীর কাজীরহাটের রেগুলেটর।
এরপর থেকে জোয়ার-ভাটার প্রভাবে ছোট ফেনী নদীর দুই পাড়ে ভাঙ্গন তীব্র আকারে রূপ নেয়। এরইমধ্যে দুই পাড়ে সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ, চান্দলা, নজির মাঝির ঘাট, গোপালগাঁও, কাজিরহাট, মিয়াজিরঘাট ও তালতলি গ্রামের
কয়েক কিলোমিটার এলাকার বাড়িঘর, মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে তলিয়ে গেছে। এখনও ভাঙ্গনের হুমকির মুখে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কয়েক হাজার বাড়িঘর। একই পরিস্থিতি জেলার দাগনভূঞা উপজেলার তালতলি ও জগতপুর গ্রামের। এরইমধ্যে দুই গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়ি, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এখনও ভাঙ্গন আতঙ্কে দিনরাত কাটছে শত পরিবারের।
চর দরবেশ গ্রামের ৬৯ বয়সি বৃদ্ধ বাসিন্দা মুন্সি ফকির আহম্মদ জানান, ভাঙ্গনের হাত থেকে সম্পদ রক্ষায় এর আগেও মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপিসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।  সবশেষ গত ১৩ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর  স্মারকলিপি দেয়া হয়।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া কাজী মোতাহার আহসান জানান, আপতকালীন ভাঙ্গন ঠেকাতে জেলা প্রমাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে। তখন নদীর গভীর থেকে বালু উত্তোলন করে ভাঙ্গন রক্ষায় কাজ করতে
গত বছরের ২৭ আগষ্ট তৎকালিন জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার কাজে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৭(১)  ধারার আওতায় স্বল্প পরিসরে নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ের জন্য বালু ও মাটি উত্তোলণ করার অনুমতি দেন। কিন্তু তিনি অন্যত্র বদলি হলে বাধে বিপত্তি। বর্তমান জেলা প্রশাসক মনিরা হক দায়িত্ব গ্রহণ করে বালু উত্তোলনে বন্ধ করে দেন। এতে বালু ও মাটির অভাবে প্রকল্পের কাজ রেখে ঠিকাদার পালিয়ে যান।


এ জাতীয় আরো খবর...