শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

নেপাল থেকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরছে ফুটবলাররা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নেপালে জেন-জি’র গণ-অভ্যুত্থানের পর চলছে কারফিউ। তাতে গেল দুই দিন হোটেলেই অবরুদ্ধ ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। অবশেষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), কাঠমান্ডুর দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের সম্মিলিত চেষ্টায় দ্রুত সময়ে দেশে ফিরছেন জামাল ভূঁইয়ারা।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্টে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। সেখান থেকে বেলা সাড়ে ১১টার পর বিশেষ এক ফ্লাইটে দেশে ফিরবে ফুটবলাররা। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও একই ফ্লাইটে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও ব্যাপক দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার প্রতিবাদে গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে নেপালে বিক্ষোভ শুরু হয়। তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত সহিংস রূপ নিলে পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি।

তবে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ সত্ত্বেও নেপালের পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় লাগাতার বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ালে সেদিন দুপুর থেকে গতকাল বিকেল পর্যন্ত ত্রিভুবন বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ছিল।

এদিকে দুটি ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেপালে গিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। ৬ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলেও কাঠমান্ডু আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠলে, দ্বিতীয় ম্যাচের অনুশীলন বাতিল হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কারফিউ ঘোষণার পাশাপাশি বাতিল করা হয় পরদিনের দ্বিতীয় ম্যাচও।

এমনকি এই আন্দোলনে জামালদের অবস্থান করা টিম হোটেলের পাশেও জ্বালাও-পোড়াও চলছিল। ফলে গত দুই দিন হোটেলে বন্দী অবস্থায় ছিলেন ফুটবলাররা। এদিকে এই কদিন অনিশ্চয়তার মাঝেও নিজেদের ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন ফুটবলাররা। বুধবারও টিম হোটেলে সবাই ঘাম ঝরিয়েছেন।


এ জাতীয় আরো খবর...