শিরোনামঃ
‘যৌনাঙ্গে বুট দিয়ে মেরেছে’, ‘জামা টেনে তুলে দিয়েছে’ – দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের অভিজ্ঞতা ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার থাকতে পারে, ইঙ্গিত ইলন মাস্কের পর্তুগাল থেকে যৌতুক পাওয়া ‘বোম্বে’ দশ পাউন্ড ভাড়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজা বাংলাদেশে ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন? মৃত শাবক নিয়ে ঘুরছিল মাদি হাতি, প্রাণীদের শোকের বিরল আচরণ দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে যেভাবে বিদেশে অর্থ পাঠান ইরানিরা প্রবাসীরা আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে: রাষ্ট্রপতি সিসা দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ১০ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোর পরিবেশমন্ত্রীর ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার ২০২৬-এর বিজয়ী ছবিগুলো
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন

প্রথম আলো-ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, আগুন

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

রাজধানীর কাওরান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল থেকে এই হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টার আগে প্রথমে প্রথম আলো ভবনে ভাঙচুর শুরু করেন বিক্ষুব্ধরা। তারা ভবনে প্রবেশ করে সেখানকার নথিপত্র ও আসবাব বাইরে ফেলে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। ভবনে চালানো হয় ভাঙচুর। এক পর্যায়ে চারতলা এই ভবনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। রাত পৌনে তিনটায় এ রিপোর্ট লেখা সময় ওই ভবনে আগুন জ্বলছিল। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটকে আগুন নিভাতে দেখা যায়। আগুনে ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রথম আলোর ওই ভবনের পাশের একটি ভবনে পত্রিকাটির বার্তা বিভাগ। সেখানে থাকা কর্মীরা নিরাপদে সরে গেলেও পত্রিকাটির দ্বিতীয় সংস্করণ আর প্রকাশ হয়নি। এছাড়া হামলার শুরুর পর রাতে অনলাইন বিভাগও আর সচল দেখা যায়নি। ওদিকে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার পর বিক্ষুব্ধ লোকজন কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে অবস্থিত ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ শুরু হয়। বিক্ষুব্ধরা প্রথমে পত্রিকাটির নিচ তলায় ভাঙচুর চালান। পরে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। আগুন দেয়ার কারণে ভবনে পত্রিকাটির অনেক কর্মী আটকা পড়েন। ভাঙচুর করতে ভবনে প্রবেশ করা কয়েজন লোকও সেখানে আটকা পড়েন।

পত্রিকার কয়েকজন কর্মী ভবনে আটকা পড়ে উদ্ধারের আকুতি জানান। তারা ফেসবুকেও নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এক পর্যায়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা চালান ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষুব্ধদের শান্ত করতে চেষ্টা চালান। তাদের চেষ্টায় এক পর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ফায়ার সার্ভিস ও আশপাশের লোকজন উদ্ধারের কাজ শুরু করেন। রাত আড়াইটার দিকে ভবনে থাকা লোকজনকে নিচে নামানো হয়। তখনও বিক্ষুব্ধ লোকজন সড়কে অবস্থান নিয়ে ছিলেন। বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের কারণে সামনের প্রধান সড়কে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে। হামলার কারণে ডেইলি স্টারও দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করতে পারেনি। এছাড়া পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণ রাতে কোন আপডেট দিতে দেখা যায়নি।

কাওরান বাজারে দুটি মিডিয়ার কার্যালয়ে হামলার সময় প্রথমে পুলিশ সদস্যদের দেখা যায়নি। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা হাজির হলেও ব্যাপক সংখ্যক উপস্থিতির কারণে হামলা, ভাঙচুর ঠেকাতে তাদের তেমন কোনো ভুমিকা দেখা যায়নি।

ওদিকে রাত তিনটায় এ রিপোর্ট লেখার সময় কাওরান বাজার থেকে শাহবাগমুখি সড়কে ছাত্র-জনতাকে বিক্ষোভ মিছিল করতে দেখা যায়। শাহবাগ ছিল লোকারণ্য। হাজার হাজার মানুষ হাদি হত্যার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর...