শিরোনামঃ
‘যৌনাঙ্গে বুট দিয়ে মেরেছে’, ‘জামা টেনে তুলে দিয়েছে’ – দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের অভিজ্ঞতা ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার থাকতে পারে, ইঙ্গিত ইলন মাস্কের পর্তুগাল থেকে যৌতুক পাওয়া ‘বোম্বে’ দশ পাউন্ড ভাড়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজা বাংলাদেশে ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন? মৃত শাবক নিয়ে ঘুরছিল মাদি হাতি, প্রাণীদের শোকের বিরল আচরণ দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে যেভাবে বিদেশে অর্থ পাঠান ইরানিরা প্রবাসীরা আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে: রাষ্ট্রপতি সিসা দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ১০ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোর পরিবেশমন্ত্রীর ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার ২০২৬-এর বিজয়ী ছবিগুলো
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

ফতুল্লায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার ৩ সংবাদকর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কথিত বিএনপি নেতার হামলায় ২ সাংবাদিকসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। এ সময় তাদের ক্যামেরা ও মোবাইল ভাঙচুর করা হয়েছে। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা তিনজনকে আটকে বেধড়ক মারধর করেছে। তাদের নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ৫ নভেম্বর বিকেলে ফতুল্লার গিরিধারা বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হামলাকারী কথিত বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেনকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আতা-ই রাব্বির বাবা।

হামলায় আহত সংবাদকর্মীরা হলেন অনলাইন পোর্টাল জাগো নিউজের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা প্রতিনিধি মো. আকাশ (২৭), নিউজ নারায়ণগঞ্জ নামের একটি পোর্টালের ক্যামেরাম্যান আবদুল্লাহ মামুন (৩২) ও আয়াজ হোসেন (২৮)।

জাগো নিউজের সাংবাদিক মো. আকাশ জানান— গিরিধারা বউবাজার এলাকাতে এক নারীর অভিযোগ ছিল, তাদের জমি দখল করে রেখেছিল বিএনপির নামধারী নেতা শাহাদাত ও তার ছেলে রাব্বি। এ ঘটনায় ওই নারী ফতুল্লা থানায় একাধিকবার জিডি করেছেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি জানতে বুধবার বিকাল ৪টায় ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে নারীর সঙ্গে কথা বলার খবর পেয়ে শাহাদাত লোকজন নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা করে। তার সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান আবদুল্লাহ আল মামুন ও আয়াজকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। একপর্যায়ে টেনেহিঁচড়ে একটি রুমে আটকে লাঠিসোটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। তাদের সঙ্গে থাকা ক্যামেরা ও মোবাইল ভেঙে ফেলে। পরে রুমে আটকে মোবাইল ভাঙচুর করে।

খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়। পুলিশ গিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করেছে। তাদের খানপুরে ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, শাহাদাতকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর...