শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল পত্রিকা: ‘হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ’ শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে? সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় কী বলছে পুলিশ ‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

মিন্টুর মনোনয়ন বৈধ: যে বার্তা দিলেন মানিক 

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধতা করেন নির্বাচন কমিশন । এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণে আর কোনো বাধা নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আপিলে উত্থাপিত অভিযোগ ও কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে কমিশন তার মনোনয়ন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেয়।
এদিকে, মিন্টুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজদল ও সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ নির্দশনা দিয়েছেন মিন্টুর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আপিলকারি ও মূল প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক। রোববার রাতে নিজের ফেসবুক একাউন্টে মানিক  মন্তব্য করেন এ আইনি পদক্ষেপ নির্বাচনী লড়াইয়ের অংশ, এতে আমাদের ব্যাক্তিগত, রাজনৈতিক এবং সামাজিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবেনা”। তিনি লিখছেন ১৮ ডিসেম্বর দুপুর ১:০০ ঘটিকায় শুনানি শেষে রায় পেন্ডিং রেখে অনেক আপত্তি সত্ত্বেও সন্ধ্যা ৬:৪৫ পর মনোয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। যদিও ইতিমধ্যে আপীল খারিজ মর্মে ২ বার ব্যাপকভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন কোন মিডিয়া এবং কোন কোন ব্যাক্তির ফেসবুক আইডি থেকে। এই আপীল নিয়ে অনেকের আগ্রহ এবং কৌতুহল তৈরী হয়েছে। এটা একেবারে সাধারন এবং আইনি প্রক্রিয়া। সংবিধান, আর পি ও এবং নির্বাচন আচরনবিধি প্রার্থীদের এই সুযোগ দিয়েছে। নির্বাচনে কেউ যেন বাড়তি অথবা বিশেষ সুযোগ নিতে না পারে, সে জন্য আইনের মাধ্যমে তা সুরাহা করার ব্যাবস্থা রেখেছে।নির্বাচন কমিশনের রায়ে যদি কোন পক্ষ সন্তুষ্ট হতে না পারেন তার জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার ও সুযোগ আছে। সুতারাং এ বিষয়ে কোন বাড়াবাড়ি, আইন বহির্ভূত অথবা অন্যায় পদক্ষেপ হিসেবে মনে করার সুযোগ দেখিনা।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২) গ উপধারায় দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সংসদ সদস্য হওয়ার পথ বন্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অন্য সময়ে বিস্তারিত লিখবো। নির্বাচনকে অবাধ ,সুষ্ঠ এবং নিরাপেক্ষ করার জন্য সবাইকে আইন মেনে চলা উচিৎ, আইনের সর্বোচ্চ ব্যাবহারের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা রেখে সকল সংশয় দুর করে অবস্থান স্পষ্ট করবেন। যা জুলাই অভ্যুত্থান এর আকাংখা। আল্লাহ সোবানাহু তায়লা উত্তম ফয়সালাকারী। আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভাইয়ের সাথে আমার নির্বাচনী লড়াই। তিনি আমার অন্যতম প্রতিদ্বন্দী। এ লড়াই নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে নির্বাচনী আচরনবিধি অনুসরণ করার মাধ্যমে । জন রায়ের ভিত্তিতে এর সমাপ্তি হবে,ইনশাল্লাহ। অতি উৎসাহী হয়ে আমার অথবা আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভাইয়ের কোন সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী ভার্চুয়ালী অথবা সরাসরি বাহাস বিতর্কে লিপ্ত হয়ে নৈতিকতার সীমা লংঘন করেন, অশ্রাব্য এবং অশালীন শব্দ ব্যাবহার করেন এমনকি হুমকি, ধমকি প্রদর্শন করেন, তা আমাদের উভয়ের ব্যাক্তিত্ব কে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভাইয়ের সাথে আমার ব্যাক্তিগত এবং সামাজিক সম্পর্ক আছে এবং থাকবে। নির্বাচনী লড়াই আমাদের ব্যাক্তিগত সম্পর্ককে প্রভাবিত করবেনা। প্রবীন রাজনীতিবিদ এবং দেশের একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি ও আমার এলাকার সম্মানিত বড় ভাই হিসেবে উনার প্রতি শ্রদ্ধা ,সম্মান সব সময় থাকবে। আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভাইয়ের জন্য শুভকামনা।
মানিকের এ ধরণের পোস্টে নানান মন্তব্য করছেন রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। অনেকে মানিকের মন্তব্যকে সর্বোচ্চ সন্মান ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বার্তা দিয়েছেন।


এ জাতীয় আরো খবর...