শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

মুন্সিগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধ, যুবককে গুলি করে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

মুন্সিগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে  বিএনপির দুই গ্রুপের পূর্ব বিরোধের জেরে তুহিন দেওয়ান (২২) নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে দশটার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত তুহিন দেওয়ান (২২) মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ বেহেরকান্দি এলাকার বাসিন্দা। তিনি ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি সেলিম দেওয়ানের পুত্র।

প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের চাচাতো ভাই আকাশ দেওয়ান জানান, রোববার রাতে নিহত তুহিন বাসা থেকে হাটার জন্য বের হয়। এ সময় মুন্সীকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রতিপক্ষ মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ওজির আলী ও আওলাদ গ্রুপের অনুসারী লিটন বেপারির নেতৃত্বে পেছন থেকে তুহিনকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এ সময় তুহিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ মোল্লা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিক মোল্লা গ্রুপের সমর্থক ছিলেন তুহিন। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে এলাকাছাড়া ছিলো তুহিন ও তাদের লোকজন।

অভিযোগের বিষয়ে উজির আলী ও আওলাদ মোল্লার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফিরোজ কবির জানান, কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পর বিষয়টি জানা যাবে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর...