শিরোনামঃ
তুরস্কে কয়েক ঘণ্টার একটি অভ্যুত্থানচেষ্টা যেভাবে পাল্টে দিয়েছে পুরো দেশকে আর্জেন্টিনার পিছু ছাড়ছে না ‘বিতর্ক’, ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ডস ব্যানার দেখিয়ে শাস্তির শঙ্কায় মেসিরা পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই তেহরানকে ‘ভদ্র আচরণ’ করার সতর্কবার্তা ট্রাম্পের ফোনে মেসেজ পাঠালেও কি মৃত্যুদণ্ড, নতুন মাদক আইন নিয়ে বিতর্ক কেন স্বর্ণের দাম কমছে কেন এবং আরো কমার সম্ভাবনা কতটুকু? আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে যেসব তথ্য জেনে রাখতে পারেন ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ‘হিমশিম খাচ্ছেন’ ট্রাম্প সাইবার সুরক্ষা আইনে কী পরিবর্তন এলো? কলকাতা বিমানবন্দরের ভিতরে ১৩৬ বছর পুরনো মসজিদ সরানো নিয়ে বিতর্ক চট্টগ্রামে একের পর এক চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র হামলার নেপথ্যে কারা?
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

মিয়ানমারে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে মিয়ানমার। দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম ধাপের নির্বাচন এ বছরের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী ধাপের তারিখও ক্রমান্বয়ে জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে। দেশটিতে ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই সময় মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার অং সান সুচিকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা দখলে নেয় দেশটির সামরিক বাহিনী। এরপর থেকে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে আছে দেশটি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

এতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে জান্তা ও বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর মধ্যে যে লড়াই শুরু হয়েছে তা এখনও চলমান। মিয়ানমারের বেশির ভাগ অঞ্চলের দখল বিদ্রোহীদের হাতে। তাদের তরফে বলা হয়েছে, দখলকৃত অঞ্চলে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেয়া হবে না। বিদ্রোহী ও সেনাবাহিনীর লড়াইয়ের কারণে পূর্বে পরিকল্পিত নির্বাচন বেশ কয়েকবার বিলম্বিত হয়েছে।

সোমবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধন করেছে মোট ৫৫টির মতো দল। এরমধ্যে ৯টি পুরো মিয়ানমারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করেছে। মিয়ানমারের বেশিরভাগ অংশ বিরোধীদের দখলে থাকায় এবং লড়াই জারি থাকয় এবারের নির্বাচন বাস্তবায়ন করা জান্তা সরকারের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। যদিও যেকোনো মূল্যে নির্বাচন করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং। পাশাপাশি যারা নির্বাচনের পথে বাধা হতে চাইবে তাদের ওপর কঠোর শাস্তি আরোপের কথা জানিয়েছেন তিনি।

সেনা অভ্যুত্থানের আগে পরপর দুটি নির্বাচনে ভূমিধস জয় পায় সুচির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি পার্টি। তবে এবারের নির্বাচনে দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় এই দলটিকে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হচ্ছে না। পরিকল্পিত এই নির্বাচন ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যাত হলেও এতে চীনের সমর্থন রয়েছে। কেননা দক্ষিণ পূর্ব-এশিয়ার দেশটিতে স্থিতিশীলতাকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্বার্থ হিসেবে দেখছে বেইজিং। এদিকে বিশ্লেষকরা মনে করেন, যেনতেন নির্বাচন দিয়ে নিজের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চাইছে জান্তা প্রধান। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোকে ছায়া সরকার হিসেবে ব্যবহার করবেন তিনি।


এ জাতীয় আরো খবর...