শিরোনামঃ
দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে যেভাবে বিদেশে অর্থ পাঠান ইরানিরা প্রবাসীরা আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে: রাষ্ট্রপতি সিসা দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ১০ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোর পরিবেশমন্ত্রীর ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার ২০২৬-এর বিজয়ী ছবিগুলো ইমরান খানের শক্ত ঘাঁটি অবরুদ্ধ করেছে পাকিস্তান, কিন্তু এর ফল উল্টো হতে পারে পত্রিকা: ‘শাহজালালে আটকা ১৩ হাজার যাত্রী’ কলম্বাসের ৫০০ বছর আগে আমেরিকা পৌঁছেছিল যে ভাইকিংরা কওমি মাদ্রাসায় বারবার ছেলেশিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে কীভাবে? যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন

ফেনীতে আলকেমী হাসপাতালে গজ রেখেই সিজার রোগীকে সেলাই, সাত মাস পর অপসারণ

ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

ফেনীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ফরিদা  ইয়াসমিন (৪০) নামে এক সিজারিয়ান রোগীকে পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেয়া হয়েছে।  অপারেশনের ৭ মাস পর ফেনীর আরেকটি প্রাইভেট হাসপাতালে বুধবার রাতে অপারেশন করে সে গজ বের করা হয়।
এ অভিযোগে ২৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার জেলা শহরের আলকেমী হাসপাতাল কতৃপক্ষ ও ডাক্তারের বিরুদ্ধে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর গ্রামের প্রবাসী মহি উদ্দিন উদ্দিনের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন গেল ৩ ফেব্রুয়ারি আলকেমী হাসপাতালে সিজার অপারেশন করে ডা: তাসলিমা আক্তার। এ সময় রোগীর পেটে গজ রেখে সেলাই দিয়ে রোগীকে বেড়ে পাঠিয়ে দেন । চারদিন পর রোগীকে রিলিজে বাড়ীতে পাঠালে রোগীর পেটে ব্যাথা দেখা দেয়। এর পর ডা: তাসলিমা আক্তারের কাছে গেলে তিনি ফরিদা ইয়াসমিন কে ব্যাথার ঔষধ দিয়ে ফের বাড়ী পাঠিয়ে দেন।
সাত মাসে স্বজনরা রোগীকে নিয়ে আরো কয়েকজন চিকিৎসক ও হাসপাতালের স্বরনাপর্ণ হয়। এতে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে তার পেটে অদৃশ্য বস্তু রয়েছে ও তাকে ফের অপারেশন করাতে হবে বলে সিদান্ত দেওয়া হয়। বুধবার রাতে জেলা শহরের আল বারাকা হাসপাতালে সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা: আজিজ উল্লাহ ভুক্তভোগী  ফরিদা ইয়াসমিন কে অপারেশন করে পেট থেকে প্রায় ১ কেজি ওজনের  ১ ফুট একটি গজ বের করে।
রোগীর স্বামী মহি উদ্দিন জানান, রোগীর ব্যাথা নিয়ে গত ৭ মাসে তার প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, এতে তার পরিবার ঋন গ্রস্থ হয়ে পড়েন।
রোগীর ভাই মো: শাহা ফয়সাল জানান, তার বোনের এ সমস্যা নিয়ে তাদের দুই পরিবারের সদস্যরা গত ৭ মাস শারীরিক মানসিক আর্থিক ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে ।
 এ নিয়ে  বিভিন্ন চিকিৎসা, পরিক্ষা নীরিক্ষা, ঔষধ বাবত ৫ লাখ টাকার উপরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ ঘটনায় রোগীর ভাই মো: শাহা ফয়সাল বাদী হয়ে ফেনীর সিভিল সার্জন ও ফেনী মড়েল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ফেনীর সিভিল সার্জন ডা: রুবাইয়াত বিন করিম জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে। উর্ধতন  কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে ডা: তাসলিমা আক্তার কে ফন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।


এ জাতীয় আরো খবর...