শিরোনামঃ
ফ্রান্সজুড়ে সহিংস সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চলছে, গ্রেপ্তার ১ হাজারের বেশি পত্রিকা: ‘অস্ত্র হাতে মাদকসেবীদের ধাওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের’ কানাডার উদ্ধার করা ৩০টি বেলুগা তিমির অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ কলকাতায় দুর্গাপুজোর মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু তিন বান্ধবীর দুইজন হাঁটতে গিয়েছিলেন, আরেকজন ফিরলেন লাশ হয়ে নিয়োগের পাঁচ দিন পরই কেন চাকরি ছাড়ছেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি? ইউক্রেনের মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে যাক- এই কৌশল নিয়েছেন পুতিন? পত্রিকা: ‘স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার’ ভুট্টা চাষীদের সার সংকটের যে চিত্র দেখেছে বিবিসি নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই ‘ঝুঁকিতে ছিলেন’
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন

পল্লবীর বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে হত্যা: পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

পুলিশ জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কথা বলায় নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড। এই হত্যা মামলায় পলাকত ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড রহস্যজনক। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে এ মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি। ওই সময় রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি লাগে। ঘটনার পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরবর্তীতে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমান হাদিকে সরকারিভাবে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। তবে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে (এসজিএইচ) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পরদিন (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওসমান হাদির মরদেহ দেশে আসে। এরপর তার মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

সবশেষ গত ২০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো জনতার অংশগ্রহণে বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিকের ইমামতিতে ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ওইদিন বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশেই চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই সম্মুখযোদ্ধাকে।


এ জাতীয় আরো খবর...