“আমাদের পরিবার থেকে আমরা চারজন হজে গিছিলাম এবং প্রত্যেকের কাছ থেকেই ওরা প্রায় চারটা কোরবানির টাকা নিছে। কিন্তু তারপরও কোরবানি দেওয়া হয়েছে কি-না সন্দেহ আছে। কারণ ওরা কোরবানির কোনো প্রমাণ আমাদের দেখাতে পারেনি। কেবল মুখে মুখেই বলে যাচ্ছে যে, কোরবানি ঠিকঠাক হয়ে গেছে,” বলছিলেন হজ করে সদ্য দেশে ফিরে আসা একেএম আহসানুজ্জামান।সূত্র: বিবিসি বাংলা