শক্তিশালী এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্প এবং পরবর্তী কয়েক ডজন আফটারশকের কারণে সেখানকার শত শত ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই দুর্যোগের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনও পরিষ্কার নয়।সূত্র: বিবিসি বাংলা