শিরোনামঃ
মাগুরার আট বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের পত্রিকা: ‘বাজেট ও মূল্যস্ফীতির সমতা রক্ষায় পে-স্কেল’ বাজারে মানহীন বা নিম্নমানের পণ্য কীভাবে বুঝবেন? আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল, কী জানা যাচ্ছে? পত্রিকা: ‘সালাহউদ্দিন আহমদ গুমের ঘটনা – আসামি বাড়তে পারে তদন্তে ‘মিসিং লিংক’ খুঁজছে ট্রাইব্যুনাল’ গুম প্রতিরোধে বাংলাদেশে কী পরিবর্তন এসেছে? নেপালের বন্যায় সেই বাড়িটির বারান্দায় আটকে পড়াদের শেষ পর্যন্ত কী হলো? সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ঢাকায় কবি নজরুলকে সমাহিত করা হয়েছিল পরিবার ও ভারত সরকারকে না জানিয়েই?
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

ঈদ উপলক্ষে আগের মতোই মিলবে অকটেন-পেট্রোল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

সরকার জ্বালানি সংকটের মধ্যে গণপরিবহনের তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের সীমা আর থাকছে না।শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আপাতত ঈদ উপলক্ষে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান রেশনিং প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ রাত থেকে থাকছে না। রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো। আগামীকাল সকালেই এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।সেতুমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রি চলবে।

মূলত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলে গত ৬ মার্চ থেকে সারাদেশে তেলের রেশনিং শুরু করে সরকার। ওই সময় আতঙ্কিত হয়ে লোকজন প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনা শুরু করলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

রেশনিংয়ের শুরুতে সরকারের জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল- মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হবে।

এ ছাড়া পিকআপ ভ্যান বা লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কন্টেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।পরে রেশনিং ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মোটরসাইকেলের জ্বালানির সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়।

একইসঙ্গে সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল। তবে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বিবেচনায় এখন সেই রেশনিং ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে নিল সরকার।


এ জাতীয় আরো খবর...