শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে ৮

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যায় আককৃতরা

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা ছিনতাইকারী সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে এ হত্যাকাণ্ডে এক দম্পতিসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন-পাবনার চাটমোহন থানার পাঁচবারিয়া এলাকার কিয়ামুউদ্দিন হাসানের ছেলে ফয়সাল হাসান (২৩), কুমিল্লার হোমনা থানার কাশিপুর এলাকার হানিফ বুয়ার ছেলে শাহ জামাল (৩২) ও সুমন (২৬)।

এর আগে গ্রেপ্তার ৪ জন হলো- মো. মিজান ওরফে কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপি, আল আমিন ও মো. স্বাধীন।

নিহত সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকায় গাজীপুরে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক তুহিন হত্যায় সরাসরি ৮ জন সম্পৃক্ত: জিএমপি কমিশনার

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় থাকতেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় তাকে কয়েকজন যুবক ধাওয়া করে। পরে একটি একটি চায়ের দোকানে গেলে সেখানেই তাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে পুলিশ সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সেলিম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ গাজীপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন সময় এ ৭জনকে আটক করে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান জানান, গ্রেপ্তারদের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়। পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর...