সোমবার (১৭ নভেম্বর) মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আজকের রায়ে পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।
এ অবস্থায় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই- তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান প্রত্যার্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এরআগে, দুপুর ১২টার দিকে বুলডোজার দিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা আসেন। তবে শুরুতেই পুলিশের বাধার মুখে পড়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুলডোজার দুটি রাস্তার পাশে পার্ক করে স্লোগান স্লোগানে মুখরিত করে পুরো এলাকা। উদ্দেশ্য একটাই ৩২ নম্বরের অবশিষ্টাংশ গুঁড়িয়ে দেয়া। তবে পুলিশ অনুমতি না দিলে এক পর্যায়ে ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা। কিছু শিক্ষার্থী ভেতরে ঢুকলেও বুলডোজারসহ বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বাইরেই রয়ে যান।
পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এসে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। সেনাবাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে বুলডোজার ঢোকানোর চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ইট পাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জে উত্তপ্ত হয়ে যায় পুরো এলাকা। টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।