ভয়াবহ বায়ুদূষণের জেরে বিপর্যস্ত ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। অবস্থা এতোটাই প্রকট যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানকার সকল সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মীদের সংখ্যা অর্ধেকে নামানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আর বাকি অর্ধেক কর্মীকে বলা হয়েছে হোম অফিস করতে। মূলত বায়ুদূষণ প্রকট অবস্থায় পৌঁছানোয় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অর্ধেক কর্মী নিয়েই চলবে সকল দপ্তরের কাজ। খবর এনডিটিভি
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দিল্লিতে দূষিত বায়ুর দমবন্ধ পরিস্থিতির কারণে সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলোকে অর্ধেক কর্মী নিয়ে কাজ চালাতে বলা হয়েছে। আর বাকি কর্মীরা কাজ করবেন বাড়ি থেকে। ভারতের এই জাতীয় রাজধানীর এই সংকট ঘিরে কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (সিএকিউএম) নির্ধারিত গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যানের তৃতীয় ধাপের আওতায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দিল্লি সরকার স্কুলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। সেসময় অন্যান্য নির্দেশনার পাশাপাশি বায়ুমান অতিমাত্রায় খারাপ হলে শিশুদের বাইরে খেলাধুলা করতে না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এনডিটিভি বলছে, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দিল্লির সরকারি দপ্তরগুলোতে এমনিতেই উপস্থিতি কম থাকার কথা। কারণ দিল্লি সরকার গুরু তেগ বাহাদুরের ৩৫০তম শহীদী পুরব উপলক্ষে ইতোমধ্যেই সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে।
মূলত প্রতিবছর শীতকালে দিল্লির বায়ুদূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করে। আর তাই দূষণের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দিল্লিতে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান বা গ্র্যাপ ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়। দূষণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে শহরের স্বাভাবিক কার্যক্রম কতটা সীমিত করা হবে, সেটিও এই কাঠামোর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।