শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধায় অর্থ আত্মসাত মামলায় বিআরডিবির সাবেক হিসাবরক্ষক কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫

স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে এক কোটি ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতারকৃত গাইবান্ধা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) উপ পরিচালকের কার্যালয়ের সাবেক হিসাবরক্ষক (বরখাস্ত) আনিছুর রহমানকে (৪৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে তাকে আমলী আদালতে হাজির করলে বিচারক জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, গতকাল দুপুরে রাজধানীর সাভারের রাজাসন এলাকা থেকে গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেফতার আনিছুর গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ধানঘড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আত্মসাত করা টাকার একটি অংশ দিয়ে তিনি এলাকায় বহুতল ভবন ও একাধিক জমি ক্রয় করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর ইসলাম তালুকদার বলেন, দুদকের মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন আনিছুর রহমান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ ও দুদক সূত্র জানায়, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত হিসাবরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি গাইবান্ধা বিআরডিবির চারজন উপ পরিচালকের স্বাক্ষর স্ক্যান করে জালিয়াতির মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, পেনশন ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রায় এক কোটি ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রংপুর দুদকের উপ সহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন তাকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে, দুদক চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে চলতি বছরের ২৭ আগস্ট আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই মামলায় আনিছুর রহমানকে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।


এ জাতীয় আরো খবর...