শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

জুবায়েদ হত্যা: বর্ষাসহ ৩ আসামির জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্র ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেফতার ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষাসহ তিনজনের জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

অপর দুই আসামি হলেন: বর্ষার প্রেমিক মো. মাহির রহমান এবং তার বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান।


মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বংশাল থানার উপপরিদর্শক মো. আশরাফ হোসেন এ আবেদন করেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে নিহত জুবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে রাজধানীর বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিহত জুবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করাতেন। গত ১৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি বংশাল থানাধীন ৩১নং ওয়ার্ডের নুর বক্স লেনের ১৫নং হোল্ডিং ‘রৌশান ভিলায়’ পড়ানোর জন্য যান।

হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য আসে ওই ছাত্রীর মাধ্যমেই। অভিযোগমতে, ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যা প্রায় ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে ওই ছাত্রী (বর্ষা) জুবায়েদ হোসেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে মেসেঞ্জারে জানায় যে, ‘জুবায়েদ স্যার খুন হয়ে গেছেন, কে বা কারা তাকে খুন করে ফেলেছে।’

খবরটি ওইদিন রাত আনুমানিক ৭টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. কামরুল হাসান জুবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেনকে মোবাইল ফোনে জানান। খবর পেয়ে এনায়েত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলায় পৌঁছান। ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে ওঠার সময় তিনি সিঁড়ি এবং দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। পরবর্তী সময়ে ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষের পূর্ব পার্শ্বের সিঁড়িতে জুবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

ময়নাতদন্ত শেষে গত ২০ অক্টোবর জুবায়েদকে কুমিল্লার কৃষ্ণপুর গ্রামে দাফন করা হয়।


এ জাতীয় আরো খবর...