শিরোনামঃ
‘স্মাইলিং ডিপ্রেশন’ কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে? রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস ওমরাহ করতে গিয়ে হুথির হামলায় প্রাণ হারালেন মাদ্রাসা শিক্ষক নাসরুল্লাহ বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার ‘ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট দরকার’, জেলেনস্কির সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তীব্র যানজট

ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ফেনীর মহিপালে কোব্বাদ আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যায়।

এ সময় ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) ফাতিমা আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও দাবি শোনেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিলে আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তদন্ত চলাকালে প্রধান শিক্ষককে ছুটিতে পাঠিয়ে বিকল্পভাবে একজন শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বছরের মাঝে হঠাৎ করে রুটিন পরিবর্তন করে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করা হচ্ছে। যে যে বিষয়ের শিক্ষক আছেন, তাদের দিয়ে সে বিষয়ে ক্লাস নেয়া হয় না। দুর্নীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়।

তারা আরও জানান, ২০২৫ সালের টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১০-১৫ হাজার টাকা নিয়ে মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে ৯০ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন হাজার টাকা করে মোট দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হলেও তার কোনো হিসাব নেই। বিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট বাণিজ্য করা হয়, প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এক হাজার টাকা নেয়া হয়। স্কুল ভবন রাতের বেলায় ভাড়া দেয়া হয়, পানির ট্যাংক প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ব্যবহার করা হচ্ছে, এমনকি লাইব্রেরির টেলিভিশনও তিনি নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি বলে জানান তারা।
 
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক একেএম জহির উদ্দিন কচি বলেন, ‘এনটিআরসি থেকে বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ১০ম শ্রেণির ইংরেজি ক্লাস নতুন শিক্ষককে দেয়া হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আগের শিক্ষককে রাখতে চাইছিল। এ নিয়েই আন্দোলন শুরু হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’

এ সময় ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা কান্তা, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর...