ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর ঘটনা পুঁজি করে একটি মহল দেশের শীর্ষ স্থানীয় দুটি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেছে সেই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিস্তারিত...
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে নেয়া হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তার মরদেহ সেখানে নেয়া হয়। এর আগে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি
রাজধানীর কাওরান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল থেকে এই হামলা-ভাঙচুর ও
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। তিনি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারে নেমেছিলেন। ১২ ডিসেম্বর তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি
বিদেশ থেকে দেশে ফিরে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয় একটি ‘শ্যুটার টিম’। টার্গেট বাস্তবায়নে আগে তৈরি করা হয় সখ্যতা, এরপর মাত্র সাত দিনের মধ্যেই চালানো হয় প্রাণঘাতী হামলা। গুলি করে হত্যার
প্রায় এক বছরের বেশি সময়কাল ধরে বিভিন্ন মব সন্ত্রাস পুরো জাতিকে বিভক্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সারাদেশে বিশেষ দোয়া ও কফিন মিছিলের ডাক দিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য’। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জুলাই ঐক্যের